সোনাতলা প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলায় বেপরোয়া অবৈধ ট্রাক্টরের ধাক্কায় রিমন আহম্মেদ বিকাশ নামের এক সাংবাদিক আহত হয়েছে। তিনি উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের উত্তর আটকরিয়া গ্রামের মৃত নদন মন্ডলের ছেলে এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক কালবেলা’ ও বগুড়া থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক মুক্তজমিন’ পত্রিকার সোনাতলা উপজেলা প্রতিনিধি। এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক অবৈধ ট্রাক্টরের ড্রাইভার ইউসুফ আলী সরকার এর বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। ইউসুফ আলী সোনাতলা পৌর এলাকার কামারপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিম সরকারের ছেলে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, সাংবাদিক রিমন আহম্মেদ বিকাশ প্রতিদিনের ন্যায় ৩১ ডিসেম্বর (শনিবার) পেশাগত কাজ শেষে দুপুরে মটরসাইকেল যোগে সোনাতলা থেকে নিজ বাড়ি অর্থাৎ বালুয়াহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে তিনি কামারপাড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল সংলগ্ন পাকা রাস্তায় পৌঁছিলে সামনে থাকা অবৈধ ট্রাক্টরের ড্রাইভারকে সাইড দেয়ার জন্য মটরসাইকেল এর হুইসেল বাজান। ড্রাইভার সাইড দিলে সাংবাদিক রিমন আহম্মেদ বিকাশ ওভারটেকিং করার সময় ইচ্ছাকৃত ভাবে ড্রাইভার ইউসুফ ট্রাক্টরের পিছনের ডালা দিয়ে সজোরে ধাক্কা দিলে তিনি পুকুরে পরে মান।
এঘটনায় সা়ংবাদিকের মটরসাইকেলের সামনের অংশ ভেঙে ৩,০০০ টাকার ক্ষতি সাধন হয় এবং তার ৪৫,০০০ টাকা মূল্যের ক্যামেরা পানিতে পরে নষ্ট হয়ে যায় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।
অভিযোগে আরো জানা যায় এঘটনার পর ড্রাইভার দ্রুত ট্রাক্টর নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সাংবাদিক বিকাশ তাদেরকে পেছন থেকে ধাওয়া করে কামারপাড়া মসজিদের নিকট গাড়িসহ ড্রাইভারকে থামাতে সক্ষম হয়।এসময় বিবাদীর নিকট বিষয়টি জানতে চাইলে সে সাংবাদিক বিকাশের উপর উত্তেজিত হয় এবং বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদানসহ মারপিটের চেষ্টা করে।
এসময় পিছনে থাকা অপর একটি মটরসাইকেলের দুই আরোহী সাংবাদিক বিকাশকে পানি থেকে উদ্ধার করে।
থানার তদন্ত ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।